মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর ইউপি’র কানিহাটি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের দুই স্কুলছাত্রকে বিস্ফোরক দ্রব্য তৈরির দায়ে আটক করেছে থানা পুলিশ। এরা হচ্ছে-নবম শ্রেণীর অহিদুজ্জামান জাকির দশম শ্রেণীর নুরুল ইসলাম কাশেম। সোমবার (১০ জুলাই) রাতে কুলাউড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু ইউছুফ ও উপ-পুলিশ পরিদর্শক আবুল বাশার এদের ২জনকে আটক করেন।
সূত্র জানায়, গত ০৬ জুলাই এলাকার ভুইগাঁও গ্রামের পলক নদীর তীরে ওই স্কুলছাত্রসহ ৮/৯ জন ছাত্র একত্রিত হয়ে বোমা জাতীয় একটি বিস্ফোরক দ্রব্য তৈরি করে বিস্ফোরণ ঘটায়। বিস্ফোরণের বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে পুরো এলাকা। এ সময় এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে বিষয়টি পুলিশের কাছে যাওয়ায় পর্যায়ক্রমে র‌্যাব ও পুলিশের সদস্যবৃন্দ বিষয়টি তদন্ত করতে থাকেন। তদন্ত টিমগুলো দফায় দফায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফজল উদ্দিন আহমদকেও জিজ্ঞাসাবাদ করে। অবশেষে গত সোমবার রাতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কার্যালয়ে দুই স্কুলছাত্রকে পৃথক পৃথকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাদের একে অপরের দেয়া বক্তব্যে গড়মিল থাকায় ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ২জনকে আটক করে কুলাউড়া থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফজল উদ্দিন আহমদ, আওয়ামীলীগ  নেতা ওয়াদুদ বক্স, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য ও হাজীপুর ইউপি’র প্যানেল চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান হেলাল, লোকমান আহমদ চৌধুরী, জাহাঙ্গীর হোসেন চৌধুরী, স্থানীয় ইউপি সদস্য কবির আহমদ বক্স, ১১নং শরীফপুর ইউপি মেম্বার ইসরাইল মিয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
আটক হওয়া ছাত্র জাকিরের বাড়ি হাজীপুর ইউপি’র মাদানগর গ্রামের সাবেক ৫নং ওয়ার্ড মেম্বার ওয়াতির আলীর ছেলে ও কাশেম একই ইউনিয়নের চাঁনগাঁও গ্রামের আব্দুর রউফের ছেলে। কুলাউড়া থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিনয় ভূষণ রায় ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।