দুয়ারে কড়া নাড়ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। এ উৎসবকে ঘিরে সিলেটের কানাইঘাটে প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগররা। সময় যত ঘনিয়ে আসছে, কারিগরদের ব্যস্ততাও ততই বাড়ছে।
উপজেলার বিভিন্ন পূজামন্ডপ ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিমা বানাতে কোন মন্ডপে কাঁচা মাটির প্রলেপ তৈরি হচ্ছে, কোন মন্ডপে কাঠ,বাঁশ,খড়,সুতা দিয়ে দেবী দুর্গাকে তৈরি করা হচ্ছে, আবার কোন মন্ডপে শুরু হয়েছে রঙের কাজ। এভাবে মন্ডপে মন্ডপে চলছে শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি। সব মিলিয়ে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন পূজা আয়োজনকারীরা। প্রতিমা তৈরির কারিগররা জানান,করোনাভাইরাসের কারণে এবছর কম মন্ডপে পূজা হবে। এ কারণে প্রতিমা তৈরির কাজ কম পেয়েছেন তারা,আবার পারিশ্রমিকও পাচ্ছেন কম।

উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, এবার কানাইঘাটে ৩১টি পূজামন্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। এ বছর পূজা পালনে সরকারি এবং পূজা উদযাপন পরিষদের কিছু নির্দেশনা রয়েছে। এগুলো মেনে পুজা হবে। করোনাভাইরাসের কারণে সীমিত আকারে পূজার মাধ্যমে দেবীকে বিসর্জন দেওয়া হবে।

কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) শামসুদ্দোহা পিপিএম বলেন,’উপজেলার সকল পূজামন্ডপ কমিটির নেতৃবৃন্দকে নিয়ে আমরা ইতোমধ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা করেছি। পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সিদ্ধান্তক্রমে ও সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবার সারাদেশে মন্ডপগুলোতে উৎসব ছাড়া শুধু পূজা পালন করা হবে। মন্ডপে পূজা চলাকালীন রাত ৮টার মধ্যে সন্ধ্যা আরতি শেষ করতে হবে। পূজা মন্ডপগুলোতে যাতে করে কোন ধরণের দুষ্কৃতিকারী চক্র অপকর্ম সংঘটিত করতে না পারে এজন্য সরকার প্রতিটি মন্ডপে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্বারা নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি প্রত্যেকটি মন্ডপে পূজা কমিটিকে স্বেচ্ছাসেবক টিম নিয়োগ করতে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ভজন লাল দাস বলেন,’করোনাভাইরাসের কারণে এবার অনাড়ম্বরভাবে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করা হবে এবং সরকারি বিধিনিষেধ ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত আকারে আমরা পূজা উদযাপন করব।’

এবিটিভির সর্বশেষ প্রতিবেদন-