কানাইঘাটে পাথর দিয়ে আঘাত করে নানাকে হত্যা করার অভিযোগ ওঠেছে নাতির বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) রাত ১১ টার দিকে উপজেলার লক্ষীপ্রসাদ পূর্ব ইউনিয়নের এরালিগুল গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ নানার ‘হত্যাকারী’ নাতি আব্দুল কাদির (৩২)-কে গ্রেফতার করেছে। সে এরালিগুল খাছাড়িপাড়া গ্রামের মৃত মরতুজ আলীর পুত্র।

জানা যায়, আব্দুল কাদির স্ত্রী নিয়ে তার আপন নানির দ্বিতীয় স্বামী আব্দুল মালিক উরফে মলিক মিয়া (৭৩)-এর বাড়িতে থাকতো। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন বিষয়ে নানা-নাতির মাঝে মনোমালিন্য দেখা দেয়। এতে ক্ষুদ্ধ হয়ে মঙ্গলবার রাতে মলিক মিয়া স্থানীয় দনা বাজার থেকে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে গ্রামের মসজিদের সামনে আগে থেকে ওৎপেতে থাকা আব্দুল কাদির তাকে লক্ষ্য করে আঘাত করে। এ সময় ঘটনাস্থলেই মারা যান মলিক মিয়া।

অবস্থা বেগতিক দেখে আব্দুল কাদির পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয়রা তাকে আটক করেন। তাৎক্ষণিক খবর পেয়ে কানাইঘাট থানার এসআই মজিবুর রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আব্দুল কাদিরকে গ্রেফতার করে এবং মলিক মিয়ার লাশ উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসামানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেন।

এসআই মজিবুর রহমান জানান, আব্দুল কাদিরের বাবা-মা নেই। তার আপন নানিকে মলিক মিয়া দ্বিতীয় বিয়ে করার পর কাদির তার স্ত্রীকে নিয়ে মলিক মিয়ার বাড়িতে বসবাস করে আসছিল। সম্প্রতি নানা ও নানির সঙ্গে তার বিভিন্ন বিষয়ে বিরোধ বাধে। এ নিয়ে নাতি ক্ষুদ্ধ হয়ে নানির দ্বিতীয় স্বামীকে পাথর দিয়ে আঘাত করলে তিনি মারা যান।

এ ঘটনায় মলিক মিয়ার পুত্র আবুল কাসিম বাদি হয়ে আব্দুল কাদিরের বিরুদ্ধে কানাইঘাট থানায় বুধবার একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

এবিটিভির সর্বশেষ প্রতিবেদন-

স্বাস্থ্যবিধি তদারকিতে বিয়ানীবাজারে অভিযান, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় ১৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা