করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) শনাক্তের পরীক্ষা আর বিনামূল্যে করা যাবে না। বুথে নমুনা দিলে ২০০ টাকা আর বাসা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হলে ফি লাগবে ৫০০ টাকা। রোববার (২৮ জুন) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ অধিশাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

বিনামূল্যে করোনা পরীক্ষার সুযোগ থাকায় উপসর্গহীন ব্যক্তিরা এ পরীক্ষার সুযোগ নিচ্ছেন বলেই সরকার এ পরীক্ষার জন্য ফি নির্ধারণ করেছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এখন থেকে বুথে গিয়ে করোনা শনাক্তের পরীক্ষার জন্য নমুনা দিয়ে এলে ফি দিতে হবে ২০০ টাকা। আর বাসায় গিয়ে কারও নমুনা সংগ্রহ করতে হলে সেক্ষেত্রে ৫০০ টাকা ফি লাগবে। হাসপাতালে ভর্তি রোগীর নমুনা পরীক্ষাতেও খরচ হবে ২০০ টাকা। সরকারি সব হাসপাতালের জন্য এ ফি প্রযোজ্য হবে।

উপসচিব ড. বিলকিস বেগম স্বাক্ষরিত ‘কোভিড-১৯ পরীক্ষা-নিরীক্ষার ইউজার ফি’র হার নির্ধারণ’ শিরোনামের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আরটি-পিসিআর টেস্টের মাধ্যমে করোনাভাইরাস সংক্রমণ নির্ণয় করা হয়। বর্তমানে এ পরীক্ষা সরকার বিনামূল্যে করার সুযোগ দিচ্ছে। ফলে কোনো উপসর্গ ছাড়াই অধিকাংশ মানুষ এ পরীক্ষা করানোর সুযোগ গ্রহণ করছেন। এ অবস্থায় কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য অপ্রয়োজনীয় টেস্ট পরিহার করার লক্ষ্যে অর্থ বিভাগের গত ১৫ জুনের এক স্মারকের সম্মতির পরিপ্রেক্ষিতে আরটি-পিসিআর পরীক্ষার জন্য ২০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত ফি নির্ধারণ করা হলো।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আরটি-পিসিআর পরীক্ষার জন্য আদায় করা অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা করতে হবে। ‘চিকিৎসা সুবিধা বিধিমালা ১৯৭৪’-এর আওতায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য চিকিৎসা সংক্রান্ত সব সুযোগ-সুবিধা বহাল থাকবে।

এছাড়া মুক্তিযোদ্ধা, দুঃস্থ ও গরীব রোগীদের চিকিৎসা ও রোগ নির্ণং পরীক্ষা-নিরীক্ষা সংক্রান্ত সরকারি আদেশ বহাল থাকবে। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও উল্লেখ করা হয় এই প্রজ্ঞাপনে।

এবিটিভির সর্বশেষ প্রতিবেদন-

বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর দ্বারকেশ চন্দ্র নাথ বিদায় সংবর্ধিত