প্রদীপ চন্দ্র দাশ পেশায় স্কুল শিক্ষক। করোনার কারণে বন্ধ হয়ে গেছে বিদ্যালয়। সেই সাথে বন্ধ হয় যায় প্রাইভেট টিউশনও। একারণে একেবারে বেকার হয়ে পড়েন তিনি।

দীর্ঘ এই অবসর সময়ে বেকার বসে না থেকে কৃষিকাজে মনোযোগি হন প্রদীপ। নিজের কেনা ৪শতক জমিতে উদ্যোগ নেন মিশ্র সবজি চাষে। এতে সাফল্যও পেয়েছেন প্রদীপ। করোনাকালীন সময়ে নিজের চাষ করা সবজি পরিবারের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি আত্মীয়-স্বজনকেও বিতরণ করছেন। তার এই বাগান দেখে এলাকার অনেকেই মিশ্র সবজি চাষে উদ্ধুদ্ধ হচ্ছেন।

প্রদীপ চন্দ্র দাশ দীর্ঘদিন ধরে গোলাপগঞ্জ চৌমুহনীর মর্তুজা মার্কেটের পিছনের একটি বাসায় সহপরিবারে বসবাস করছেন। বর্তমানে তিনি রানাপিং আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের সিনিয়র শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন।

করোনায় দীর্ঘদিন বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় প্রদীপ চন্দ্র দাশ অবসর সময়ে শখের গড়া তৈরী প্রিয় বাগানে পরিচর্যায় ব্যস্ত থাকেন।

বর্তমানে বাগানটিতে রয়েছে লাউ, মিষ্টি কুমড়া, জালি কুমড়া, মূলা মরিচ, পুঁইশাক, সরিষা, টমেটো, ফুলকপি, বাঁধাকপি, বেগুন সহ আরো অনেক সবজি। সবজির পাশাপাশিও বাগানটিতে কলা গাছ, রাজশাহীর আম গাছও রয়েছে।

প্রদীপ চন্দ্র দাস বলেন, করোনার কারণে স্কুল বন্ধ হয়ে। এজন্য আমি বেকার হয়ে গিয়েছিলাম। তখন ভাবলাম ৪শতক জমি খালি পড়ে রয়েছে, এই জমিতে মিশ্র সবজি চাষ করলে কেমন হয়? সেই ভাবনা থেকে বাগানের কাজ শুরু করে দিলাম। বাগানে বিভিন্ন ধরনের সবজির পাশাপাশি কিছু ফলজ গাছও রোপণ করলাম। সবজির ফলন ভালই হয়েছে। নিজের পরিবারের চাহিদা মিটিয়েও অনেক আত্মীয় স্বজন সবজি উপহার দিতে পারছি। এভাবে আমরা বেকার না থেকে যদি নিজ জমিতে বাণিজ্যিক ভাবে মিশ্র সবজি চাষ করে লাভবান হতে পারি।

এবিটিভির সর্বশেষ প্রতিবেদন-

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালন উপলক্ষ্যে বিয়ানীবাজারে প্রস্তুতি সভা