বহুল প্রতিক্ষিত ও কাঙ্খিত বিয়ানীবাজার পৌরসভা নির্বাচন আগামী ২৫ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচন অনুষ্ঠানে আর মাত্র তিনদিন রয়েছে। নির্বাচনের তিনদিন পূর্বে বিয়ানীবাজার নিউজ ২৪ পৌরসভার ৯ ওয়ার্ডের মুরব্বি, ব্যবসায়ী, গৃহিনী, শিক্ষার্থী ও শ্রমজীবী মানুষের সাথে কথা বলে ওয়ার্ডভিত্তিক মেয়র প্রার্থীদের ভোটের অবস্থান নির্ণয় করার চেষ্টা করেছে। ভোটের ওয়ার্ড ভিত্তিক এ অবস্থান অবশিষ্ট তিন দিনের মধ্যে পরিবর্তন হলে অস্বাভাবিক মনে হওয়ার কারণ নেই। ভোটের উষ্ণতা ও বৈরী আবহাওয়ার প্রভাবে এ জরিপ পরিবর্তনও হতে পারে। তবে জরিপ কাজে অংশ নেয়া বিয়ানীবাজার নিউজ ২৪ পত্রিকার দলের সংশ্লিষ্টদের ধারণা, শেষ পর্যন্ত এ জরিপে তেমন একটা প্রভাব পড়বে না।

জরিপে মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে প্রথম দিকের পাঁচজনকে নিয়ে করা হয়েছে। অপর তিনজনকে জরিপের সুবিধার্থে আওতায় নিয়ে আসা হয়নি। সেজন্য তাদের অবস্থানও এ জরিপে জানা সম্ভব হবে না।

১নং ওয়ার্ড : পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড শ্রীধরা উত্তর ও দক্ষিণ নিয়ে গঠিত। এ ওয়ার্ডে ৩১০৪ ভোটের মধ্যে উত্তর এলাকার ভোট রয়েছে ১৬৬৪ এবং দক্ষিণ এলাকার ভোট ১৪৪০। ধানের শীষ প্রতীকের মেয়র প্রার্থী আবু নাসের পিন্টুর নিজ কেন্দ্র হওয়ায় দলমতের উর্ধে্ব উঠে ভোটাররা তাকে ভোট দেবেন। ধারণা করা হচ্ছে এ ওয়ার্ডে ৭৫ শতাংশ ভোট কাস্ট হবে। শেষ তিন দিনের নির্বাচনী বাতাসের পরিবর্তন না হলে কাস্টিং ভোটের ৭০ শতাংশ ভোট পাবেন ধানের শীষের প্রার্থী পিন্টু। তিনি ভোট পেতে পারেন ১৬০০ ভোটের উপরে। গড়ে ৮ শতাংশ করে ভোট পাবেন তফজ্জুল, আব্দুস শুকুর ও জমির এবং ৫ শতাংশ ভোট পাবেন পল্লব। প্রথম তিন প্রার্থী ভোট পাওয়ার গড় হবে ১৮০ এবং পল্লব ভোট পেতে পারেন ১১৫টি। এ ওয়ার্ডের ভোট প্রাপ্তির বিষয়টি ভোট কাস্ট ও আবহাওয়ার স্বাভাবিক অবস্থার উপর নির্ভর করবে। শেষের দিকের চার প্রার্থীর ভোটের হেরফের ঘটলে লাভবান হবেন পিন্টু।

২নং ওয়ার্ড: পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড শ্রীধরা দক্ষিণ, নবাং ও কসবা উত্তর নিয়ে গঠিত। এ ওয়ার্ডে ১৮০৬টি ভোট রয়েছে। শ্রীধরা দক্ষিণ এলাকার ৪৫, নবাং ৭৬৬ এবং কসবা উত্তর ৯৯৫টি ভোট। এ কেন্দ্র অপরাপর সকল মেয়রপ্রার্থীদের চেয়ে নৌকার প্রতীকের আব্দুস শুকুর সমর্থন বেশি রয়েছে। কসবা এলাকা হওয়ায় ভোটার এ ওয়ার্ডে তাকে এগিয়ে রাখছেন। প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট এ ওয়ার্ডে কাস্ট হবে। এ ভোট কাস্ট হলে ভোট বাক্সে জমা পড়বে ১৪৪০টির মতো ভোট। কাস্ট ভোটের ৫৫ শতাংশের ভোট পাবেন আব্দুস শুকুর, তার বাক্সে ভোট জমা পড়বে ৮০০টি মতো ভোট। এর পরে আছেন ধানের শীষের পিন্টু, তিনি কাস্ট ভোটের ২০ শতাংশ ভোট পেতে পারেন, তার বাক্সে ২৮০টি ভোট জমা পড়তে পারে। তার পরের অবস্থা জগ প্রতীকের তফজ্জুল হোসেনের, তিনি কাস্ট ভোটের ১৮ শতাংশ ভোট পেতে পারেন। তাঁর বাক্সে জমা পড়তে পারে ২৬০টি ভোট। ৬ শতাংশ ভোট পেতে পারেন রেল ইঞ্জিনের জমির হোসাইন। তার বাক্সে ৮৫টি ভোট পড়তে পারে। এছাড়া ১ শতাংশ ভোট পেতে পারেন মোবাইল প্রতীকের মেয়র প্রার্থী পল্লব। তাঁর বাক্সে ১৪টি ভোট পড়ার সম্ভাবনা রয়েছেন।

৩নং ওয়ার্ড: কসবা উত্তর, কসবা দক্ষিণ, খাসা ও নয়াগ্রাম নিয়ে পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড ঘটিত হয়েছে। এ ওয়ার্ডে ৩৩৮৮টি ভোট রয়েছে। কসবা উত্তর এলাকার ভোট ১৩৩৩টি, কসবা দক্ষিণের ভোট ৮৮৫, খাসা ১০৫৯ এবং নয়াগ্রামের ১১১ ভোট। এ ওয়ার্ডে ভোট কাস্ট হতে পারে ৮৩ শতাংশ। এ ওয়ার্ডে ভোট কাস্ট হতে  পারে ২৮০০টি। কাস্ট ভোটের ৮২ শতাংশের বেশি পাবেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুস শুকুর। তাঁর বাক্সে ২৩০০টি ভোট জমা পড়তে পারে। তার পরের অবস্থান ধানের শীষ ও জগের। এ দুই প্রার্থীর বাক্সে ২০০টির মতো ভোট পড়তে পারে। এ ওয়ার্ডের ৩ শতাংশ ভোট রেল ইঞ্জিন ও ১ শতাংশ ভোট মোবাইল ফোনে পড়তে পারে। তাদের বাক্সে ৮০ ও ২৮টি ভোট পড়তে পারে।

৪নং ওয়ার্ড : কসবা দক্ষিণ, খাসা ও নয়াগ্রাম নিয়ে ৪নং ওয়ার্ড গঠিত। এ ওয়ার্ড এর ভোট সংখ্যা ২৩৮৩টি। এর মধ্যে কসবা দক্ষিণ ৮১, খাসা ২১০৯ এবং নয়াগ্রাম এলাকার ১৯৩টি ভোট রয়েছে। এ ওয়ার্ডে ৭৫ শতাংশ ভোট কাস্ট হতে পারে। ভোট জমা পড়বে ১৭৮৭টি ভোট। নৌকার মাঝি আব্দুস শুকুরের নিজ কেন্দ্র হওয়ায় স্বাভাবিক এখানে আব্দুস শুকুরের পক্ষে দলমতের উর্ধে্ব উঠে ভোটাররা ভোট দেবেন। এতে স্থানীয়দের ধারণা শুকুর ৫০ শতাংশ ভোট পেতে পারেন। তাঁর বাক্সে জমা পড়বে ১০৭০টি ভোট। এখানে জগ প্রতীকের প্রার্থী তফজ্জুল হোসেনের অবস্থান অপর তিন কেন্দ্রের চেয়ে ভাল। তিনি কাস্ট ভোটের ২০ শতাংশ ভোট পেতে পারেন ৩৫০টি ভোট পেতে পারেন। পিন্টুর ধান ও রেল ইঞ্জিনের জমির ৯ শতাংশ করে ভোট পেতে পারেন। তারা উভয়জন ১৬০টি করে ভোট পেতে পারেন। মোবাইল ফোনে ২ শতাংশ ভোট পড়তে পারে আবার নাও পড়তে পারে। পল্লবের ভোট না পড়লে এ ভোটগুলো অন্য প্রার্থীদের পক্ষে যোগ হবে। মোবাইল প্রতীকের ৩৫টি ভোট পড়তে পারে।

৫নং ওয়ার্ড: পৌরশহর ঘেঁষা এ ওয়ার্ড নয়াগ্রাম এলাকা নিয়ে গঠিত। এ ওয়ার্ডের ভোট সংখ্যা ৩০৩৬টি। এ ওয়ার্ডে ৭৫ শতাংশ ভোট কাস্ট হতে পারে। কাস্ট ভোটের সংখ্যা হতে পারে ২২৭৭টি। পৌরসভার প্রশাসক তফজ্জুল হোসেনের নিজ কেন্দ্র হওয়ায় তিনি কাস্ট ভোটের ৫০ শতাংশ ভোট পেতে পারেন। তার বাক্সে জমা পড়তে পারে ১৩৬৬ ভোট। তার পরে অবস্থান মোবাইল ফোন প্রতীকের আবুল কাশেম পল্লব। তিনি কাস্ট ভোটের ২০ শতাংশ ভোট পেতে পারেন। তার বাক্সে ৪৫৫টি ভোট পড়তে পারে। তার পরের অবস্থান নৌকা প্রতীকের আব্দুস শুকুরের। তিনি ১৭ শতাংশ ভোট পেতে পারেন। তাঁর বাক্সে ৩৯০টি ভোট পড়তে পারে। এছাড়া ২ শতাংশ ভোট রেল ইঞ্জিন ও ১ শতাংশ ভোট ধানের শীষে পড়তে পারে। তাদের বাক্সে ৫৫ ও ২৭টির বেশি ভোট পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

৬নং ওয়ার্ড: পৌরশহর ঘেঁষা এ ওয়ার্ডে ভোট নিয়ে সাধারণের কৌতুহল বেশি। এ ওয়ার্ডের ভোট সংখ্যা ৩৭৭১টি। পুরুষ ও মহিলা ভোটারদের জন্য আলাদা কেন্দ্র রয়েছে এ ওয়ার্ডে। পুরুষরা বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজ এবং মহিলা ভোটার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভোট দেবেন। ফতেহপুর, দাসগ্রাম, পশ্চিম নয়াগ্রাম ও লাসাইতলা নিয়ে এ ওয়ার্ড গঠিত। ফতেহপুর এলাকার ২২৫৬, দাসগ্রামের ১২১৩, নয়াগ্রামের ১৯১ এবং লাসাইতলার ১১টি ভোট রয়েছে। এখানে ৭০ শতাংশ ভোট পড়তে পারে। কাস্ট ভোটের সংখ্যা ২৬৪০। কাস্ট ভোটের ৭০ ভাগ জগ প্রতীকের তফজ্জুল হোসেন পেতে পারেন। তার বাক্সে ১৮৫০টি ভোট পড়তে পারে। নৌকা প্রতীকের আব্দুস শুকুর ১৫ শতাংশ ভোট পেতে পারেন। তার বাক্সে ৪০০টি ভোট পড়তে পারে। এছাড়া পল্লবের মোবাইল ফোন প্রতীকে ১২ শতাংশ ভোট পড়তে পারে। তার বাক্সে ৩১০টি ভোট জমা হতে পারে। ধান ও রেল ইঞ্জিন এখানে ২ ও ১ শতাংশ ভোট পেতে পারেন। তাদের বাক্সে ৫৫ ও ২৬টি ভোট পড়তে পারে।

৭নং ওয়ার্ড: পৌরশহরের কাছের ওযার্ড। খাসাড়িপাড়া, নয়াগ্রাম ও উপর নিদনপুর নিয়ে এ ওয়ার্ড গঠিত। এ ওয়ার্ডের ভোট সংখ্যা ২৪০৫টি। এসব ভোটের মধ্যে খাসাড়িপাড়ার ১৬২৮, নয়াগ্রামের ৭৪২ এবং উপর নিদনপুর এলাকার ৩৫টি ভোট। এ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থীর সংখ্যা কম থাকায় অন্য ওয়ার্ডগুলোর চেয়ে কম ভোট কাস্ট হবে। ৬০ শতাংশের বেশি ভোট কাস্ট হতে পারে। কাস্ট ভোটের সংখ্যা হতে পারে ১৪৫০টি। এ ওয়ার্ডে জগ ও ধানের শীষ প্রতীকের জোর অবস্থান থাকলেও কিছুটা এগিয়ে জগ প্রতীকের মেয়র প্রার্থী তফজ্জুল। কাস্ট ভোটের ৩৫ শতাংশ ভোট পেতে পারেন তফজ্জুল হোসেন। তার বাক্সে ৫০০টি ভোট জমা হতে পারে। ঠিক পরের অবস্থান ধানের শীষের। কাস্ট ৩২ শতাংশ ভোট পেতে পারেন পিন্টু। তাঁর বাক্সে ৪৬০টি ভোট জমা হতে পারে। রেল ইঞ্জিন, মোবাইল ও নৌকা অবস্থান অনেকটা কাছাকাছি। ১৩ শতাংশ ভোট রেল ইঞ্জিন, ১২ শতাংশ ভোট মোবাইল ফোন ও ৮ শতাংশ ভোট নৌকা পেতে পারে। তাদের বাক্সে ১৮৮, ১৭৪ এবং ১১৬টি ভোট পড়তে পারে।

৮নং ওয়ার্ড : পৌরসভার দক্ষিণের এ ওয়ার্ডের ভোট ২৮৫৮টি। সুপাতলার ২৬৫০, ফতেহপুর দাসগ্রামের ১০৮, ফতেহপুর ১৯, খাসাড়ি পাড়া ৭৬ এবং উপর নিদরপুর এলাকার ০৫টি ভোট রয়েছে। এ ওয়ার্ডে ৬৫ শতাংশ ভোট কাস্ট হতে পারে। কাস্ট ভোটের সংখ্যা হতে পারে ১৮৬০। কাস্ট ভোটের মধ্যে এ ওয়ার্ডে শক্ত অবস্থান রয়েছে জগ প্রতীকের তফজ্জুল হোসেনের। তার পরের অবস্থান আবুল কাশেম পল্লবের মোবাইল ও আব্দুস শুকুরের নৌকা। এ ওয়ার্ডে ৩০ শতাংশ ভোট পেতে পারেন জগ প্রতীকের তফজ্জুল হোসেন। তাঁর বাক্সে ৫৫০টি ভোট জমা হতে পারে। অবস্থানগত কারণে এখানে কিছুটা এগিয়ে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে আবুল কাশেম পল্লবের। তবে শেষ পর্যন্ত তার ভোটে প্রভাব পড়লে লাভ হবে তফজ্জুল ও আব্দুস শুকুরের। বর্তমান অবস্থায় এ ওয়ার্ডে পল্লবের মোবাইল ফোন ২৮ শতাংশ ভোট পেতে পারেন। তার বাক্সে ৫২০ ভোট জমা পড়তে পারে। ২৫ শতাংশ ভোট পেতে পারেন আব্দুস শুকুর। তার বাক্সে ৪৭০টি ভোট জমা হতে পারে। এছাড়া ১০ শতাংশ ভোট রেল ইঞ্জিন ও ৭ শতাংশ ভোট ধানের শীষ প্রতীকে পড়তে পারে। তাদের বাক্সে যথাক্রমে ১৮৫ এবং ১৩০টি ভোট জমা হতে পারে।

৯নং ওয়ার্ড : পৌরসভার মোল্লাপুর ইউনিয়ন ঘেঁষা এ ওয়ার্ডের ভোট সংখ্যা  ২২৭৩টি। উপর নিদনপুর, লামা নিদনপুর ও সুপাতলা নিয়ে এ ওয়ার্ড ঘটিত। উপর নিদনপুরের ১০৪৩, লামা নিদনপুর ৯৭২ ও সুপাতলা এলাকার ২৫৮টি ভোট। এ ওয়ার্ডে ৭৫ শতাংশ ভোট কাস্ট হতে পারে। কাস্ট ভোটের সংখ্যা হতে পারে ১৭০৪টি। মোবাইল প্রতীক আবুল কাশেম পল্লব ও রেল ইঞ্জিন প্রতীকের জমির হোসাইনের ওয়ার্ড হওয়া এখানে এ দুই প্রার্থী অবস্থান অন্যদের চেয়ে ভাল। এ দুইজনের মধ্যে আবুল কাশেম পল্লব এগিয়ে রয়েছেন। মোবাইল প্রতীক কাস্ট ভোটের ৫০ শতাংশ ভোট পেতে পারে। তাঁর বাক্সে ৮৫২টি ভোট জমা পড়তে পারে। রেল ইঞ্জিন কাস্ট ভোটের ২০ শতাংশ পেতে পারে। তাঁর বাক্সে ৩৪০টি ভোট জমা হতে পারে। এছাড়া জগ, নৌকা ও ধানের শীষ প্রতীকে ১৪ শতাংশ, ১২ শতাংশ ও ৪ শতাংশ ভোট পড়তে পারে। তাদের বাক্সে যথাক্রমে ২৪০, ২০৪ এবং ৬৮টি ভোট জমা হতে পারে।

৯ ওয়ার্ডের ৪৫০ জন ভোটারের উপর এ জরিপ পরিচালনা করা হয়। ৭০ ভাগ মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে থাকলেও তাদের পছন্দের প্রার্থী ভিন্ন রয়েছেন। ২০ ভাগ ভোটার বর্তমান পৌরপ্রশাসক তফজ্জুল হোসেনকে যোগ্য মনে করেন এবং ১০ ভাগ ভোটার পরিবর্তনে পক্ষে না বিপক্ষে- এ নিয়ে কোন মন্তব্য করতে চাননি।

সাধারণ জরিপের মতো এ জরিপ পরিচালনা করা হয়েছে। ভোটের সংখ্যা ও শতাংশ ২৫ এপ্রিল ভোটের সাথে মিলে গেলে আমাদের জরিপে সার্থকতা থাকবে। এ জরিপ সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে পরিচালনা করা হয়েছে। তবে ভোটের তিন দিন আগে করা এ জরিপ অবশিষ্ট সময়ে হেরফের হতে পারে। ফলে অনেক প্রার্থীর ভোটের সংখ্যায়ও প্রভাব পড়বে। যার কারণে এ জরিপে উল্লেখিত সংখ্যায় পরিবর্তন আসা স্বাভাবিক।

বিয়ানীবাজার নিউজ ২৪ এর জরিপে কিছুটা ব্যবধানে গিয়ে রয়েছেন আব্দুস শুকুর। তাঁর ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছেন তফজ্জুল হোসেন। পরের অবস্থান যথাক্রমে আবু নাসের পিন্টু, আবুল কাশেম পল্লব ও মাওলানা জমির হোসাইনের।