আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা এবং নভেম্বরে এইচএসসি ও সমানের পরীক্ষা শুরু হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

রোববার (১৭ জুলাই) দুপুর ১টায় সংবাদ সম্মেলনে পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করেন শিক্ষামন্ত্রী।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সিলেটসহ সারাদেশে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার কারণে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আর নভেম্বরের শুরুতে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘২৪ জুলাইয়ের মধ্যে নতুন বই ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই পাঠানো সম্ভব। আমরা বলেছিলাম আগস্টের মাঝামাঝি পরীক্ষা নিতে পারব। পূর্বাভাস রয়েছে— ওই সময়ে বন্যা হতে পারে। সে জন্য আমরা সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি পরীক্ষা নিতে চাই। সে কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ১৫ সেপ্টেম্বর এসএসি, দাখিল ও এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত ১৯ জুন যে কাঠামো তৈরি করা হয়েছিল পরীক্ষা নিতে সেটিতে কোনো পরিবর্তন আসবে না। তবে সময়ের ক্ষেত্রে কিছুটা হেরফের হতে পারে।তিনি বলেন, ‘আমরা ২৪ জুলাই বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সিলেট ও সুনামগঞ্জে শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছে দেওয়া হবে।’

মন্ত্রী জানান, সিলেটে এসএসসি পর্যায়ে ৬৮২ সেট বই লাগবে। সুনামগঞ্জে ১০ হাজার ৫৮৬ সেট বই দেওয়া হবে। এসএসসি, এইচএসসি, ভোকেশনাল ও সমমান পর্যায় সব মিলে সিলেটে বই প্রয়োজন হবে ২৫ হাজার ৬০১ টি আর সুনামগঞ্জে ৭৬ হাজার ৮৯৯টি বই।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বন্যার কারণে বন্যা কবলিত এলাকায় শিখন ঘাটতি হয়েছে। এরই মধ্যে একটা প্রতিবেদন পেয়েছি, সার্বিক বিষয়ে এ ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বরাবরের মতো এবারও পরীক্ষা চলাকালীন সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে।’

এর আগে গত ১৯ জুন এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে সিলেটসহ দেশের কয়েকটি জেলায় বন্যা দেখা দেওয়ায় পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করা হয়।

উল্লেখ্য, এ বছর ২০ লাখ ২১ হাজার বেশি শিক্ষার্থী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেবে। এর মধ্যে সাধারণ ৯টি বোর্ডের অধীনে ১৫ লাখ ৯৯ হাজার ৭১১ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। মাদরাসা বোর্ডের অধীনে ২ লাখ ৬৮ হাজার ৪৯৫ জন এবং কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ১ লাখ ৫৩ হাজার ৬৬২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবেন।