বিয়ানীবাজার থেকে ২২ দিন আগে উদ্ধার হওয়া মরদেহের এখনও পরিচয় মেলেনি। গত ২৭ জানুয়ারি হাওর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার লাউতা ইউনিয়নের গজারাই এলাকার পশ্চিম হাওর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মরদেহের মাথার খুলি ও পায়ের কিছু অংশ ছাড়া পুরো শরীর পুড়ে যাওয়ায় ময়নাতদন্তের পর কোনো তথ্য জানা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, মরদেহটি একজন নারীর। কারণ ওই মরদেহের মাথায় অনেক লম্বা চুল রয়েছে।

পুলিশ আরও জানায়, পুড়ে যাওয়া ওই নারীর পা দুটো আকারে ছোট। খুনিরা পরিচয় গোপন রাখতে হত্যার পর মরদেহটি পুড়িয়ে ফেলেছে। তবে কী অবস্থায় তাকে পোড়ানো হয়েছে সেটি ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন থেকে জানা যাবে।

এদিকে, মরদেহের পরিচয় শনাক্তের জন্য ইতোমধ্যে দেশের সবকটি থানায় বার্তা পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিয়ানীবাজার থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিল্লোল রায়। তিনি বলেন, দেশের সব থানায় ওই মরদেহের পরিচয় শনাক্তে বার্তা পাঠানো হয়েছে। আগে ওই মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা প্রয়োজন, এরপর রহস্য উদঘাটন করা সহজ হবে। একাধিক বিষয়কে সামনে রেখে আমরা এ ঘটনার তদন্ত করছি। আশা করি দ্রুত এ ঘটনার কারণ জানতে পারব।

ওসি আরও বলেন, আগুনে পুড়িয়ে ফেলা মরদেহটি অজ্ঞাত কোনো নারীর হলেও তার বয়স কত, তিনি বিবাহিত না অবিবাহিত সেটি শনাক্ত করা যায়নি। মুখ ও পায়ের কিছু অংশ ছাড়া সমস্ত শরীর পুড়ে যাওয়ায় মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করতে হবে ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে।

এবিটিভির সর্বশেষ প্রতিবেদন-

বিয়ানীবাজারে টমটমসহ দুই চোর আটক, কারাগারে প্রেরণ