ফেঞ্চুগঞ্জ গ্রীড স্টেশনের সরবরাহ লাইনের ইন্সুলেটর ভেঙ্গে যায় শুক্রবার রাতে। শনিবার সকাল ৭টা থেকে ভেঙ্গে পড়া ইন্সুলেটরটি পুর্নস্থাপন করতে পল্লীবিদ্যুতের লেগেছে ১৯ ঘন্টা। যার কারণে বিয়ানীবাজার উপজেলার কুড়ারবাজার, মাথিউরা ও তিলপারা ইউনিয়নসহ আশাপাশ এলাকায় প্রায় ২৩ ঘন্টা টানা বিদ্যুৎহীন ছিল। শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে পুনরায় বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু হয়। এর মধ্যে মাথিউরা ইউনিয়নের নালবহর বাজারে ভুক্তভোগী এলাকাবাসী সড়ক অবরোধ করে বিদ্যুতের চরম অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদ জানান।

শুক্রবার রাতের শেষভাগে উপজেলার তিন ইউনিয়নের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। শনিবার পুরো দিন শেষে রাত ১টার দিকে পুনরায় বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু হয়। এ সময়ের মধ্যে ভুক্তভোগী এলাকার মানুষ তারাবিহ নামাজ আদায় করেছেন। বিদ্যুতের সীমাহীন বিভ্রাটের প্রতিবাদে মাথিউরা নালবহর বাজারে স্থানীয় সড়ক অবরোধ করেন। প্রায় এক ঘন্টা সড়ক অবরোধের কারণে বিয়ানীবাজার-চন্দরপুর সড়কে তীব্র যানজট দেখা দেয়। বিদ্যুতের সরবরাহ স্বাভাবিক করার হবে বলে জানান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আতাউর রহমান খান ও বিয়ানীবাজার পল্লীবিদ্যুৎ  ডিজিএম অভিলাস চন্দ্র পাল। আশ্বাস পেয়ে ভুক্তভোগী এলাকাবাসী অবরোধ প্রত্যাহার করেন।
অবরোধে অংশ নেয়া ইফতেখার মোহাম্মদ হানিফ বলেন, টানা ২৪ ঘন্টা আমরা বিদ্যুৎহীন ছিলাম। তীব্র গরমের মধ্যে এতো দীর্ঘসময় বিদ্যুৎহীন থাকা কোন অবস্থায় নেমে নিতে পারেননি এলাকাবাসী। তাই তারাবিহ নামাজ শেষে বিদ্যুতের সাম্প্রতিক অবস্থার প্রতিবাদ করেন সড়ক অবরোধ করে।

বিয়ানীবাজার পল্লীবিদ্যুৎ পরিচালক শফিউল ইসলাম ইন্সুলেটর ভেঙ্গে পড়ার বিষয়টি জানিয়ে বলেন, এটি মেরামত করতে একটু সময় বেশি লেগেছে। যার কারণে দীর্ঘ সময় উপজেলার বেশ কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। আশাকরি বিদ্যুৎ ব্যবস্থা এখন অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে গেছে। দু/একদিনের মধ্যে আরও উন্নতি হবে। আশাকরি উপজেলাবাসীকে আর প্রতিবাদ করতে হবে না।