আলোচনা না হলে কঠোর পদক্ষেপের মাধ্যমে সড়কের উপর স্থাপিত অস্থায়ী মাছ ও সবজি বাজার উচ্ছেদের দিকে যাচ্ছে বিয়ানীবাজার পৌরসভা। আলোচনার মাধ্যমে সবজিবাজার পৌর মার্কেটে যেতে সম্মত হলেও শেষ পর্যন্ত পিছু হটেন ব্যবসায়ীরা। আর শুরু থেকে বেঁকে আছেন মাছ ব্যবসায়ীরা।

গত ৩০ জুলাই অস্থায়ী সবজি বাজার বিয়ানীবাজার পৌর মার্কেটের নির্ধারীত জায়গার যাওয়ার কথা থাকলেও তারা শেষ পর্যন্ত যায়নি। মাছ ব্যবসায়ীরা পৌর মেয়রের সাথে আলোচনা সন্তুষ্ট না হয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সরনাপন্ন হয়েছিলেন। উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীলদের সাথে একাধিক বৈঠকেও কোন সুরাহা হয়নি। ফলে পৌরসভার দায়িত্বশীলরা সড়কের উপর থাকা অস্থায়ী মাছ ও সবজি বাজার সরিয়ে নিতে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে প্রস্তুতি নিচ্ছে।

অস্থায়ী মাছ ও সবজি বাজারে স্থায়ীভাবে পৌর মার্কেটে নিতে পৌরসভার সব রকমের পন্থা অবলম্বন করার পরও ব্যবসায়ীরা অস্থায়ীবাজার আকঁড়ে ধরে আছেন। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে অস্থায়ীবাজারের একটি স্থায়ী সমাধানে পৌঁছার পক্ষে পৌরসভার দায়িত্বশীল। ব্যবসায়ীদের সাথে আলোচনা করে কোন সুরাহা না হলেও তারা আইনি পক্রিয়ায় সমাধানে প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

পৌর মেয়র ইংল্যান্ডের লন্ডনে একটি সংবর্ধনা সভায় বক্তব্যে মাছ ও সবজি বাজার নিয়ে প্রবাসীদের প্রশ্নের উত্তরে জানান, সব প্রক্রিয়া গ্রহণ করে ব্যবসায়ীদের সড়কের উপর থেকে সরানো হবে। আমি ৩ সেপ্টেম্বর দেশে যাবো। গিয়েই কয়েকদিনের মধ্যে বিষয়টি সমাধান করবো। আলোচনায় সমাধান না হলে আইনি প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করবো। মেয়রের এ বক্তব্যটি বৈঠকের উপস্থিত বিয়ানীবাজার পৌরসভার কয়েক প্রবাসী বিয়ানীবাজার নিউজ ২৪কে অবহিত করেন।

এদিকে সবজি ব্যবসায়ীরা গত জুলাই মাসে মেয়রের সাথে বৈঠক করে পৌর মার্কেটে যেতে সম্মত হন। গত ৩০ জুলাই তারা পৌর মার্কেটে যাওয়ার কথা থাকলেও তারা যাননি। সবজি ব্যবসায়ীরা সড়ক থেকে ব্যবসা না সরানোর কারণে কলেজ রোডের সংস্কার কাজ আটকে আছে বলে জানিয়ে পৌরসভার দায়িত্বশীল কর্মকর্তা।

পৌর মেয়র আব্দুস শুকুর বিয়ানীবাজার নিউজ ২৪কে বলেন, সড়ক থেকে বাজার সরিয়ে নিতে আমরা ব্যবসায়ীদের সাথে সব রকম পন্থায় আলোচনা করবো। আলোচনা করে আমরা একটি সুন্দর সমাধানে পৌঁছাতে পারবো বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। তিনি বলেন, আমাদের হাতে সময় অল্প। এর মধ্যে ব্যবসায়ীদের সব রকম সুযোগ সুবিধা দিয়ে পৌর মার্কেটে নিয়ে যাওয়া এবং সংস্কার কাজ শুরু করা। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সবজি ব্যবসায়ীদের পৌর মার্কেটে যাওয়া থেকে বিরত আমরাই রেখেছি। মাছ ব্যবসায়ীদের সাথে যাতে এক সাথে সবজি ব্যবসায়ীরা যান এ বিষয়টি বিবেচনা রেখে তাদের অস্থায়ী বাজারে রেখেছি। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে মাছ ও সবজি ব্যবসায়ীদের সড়ক থেকে পৌরসভার নির্ধারীত মার্কেটে নিয়ে যেতে আমরা সক্ষম হবো।