রামপাশা ইউনিয়নের মেম্বার তাজ উল্লাহ হত্যার ঘটনায় মামলার ১৬ দিনেও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। বাদীপক্ষের অভিযোগ, মামলার প্রধান আসামি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলমগীরসহ অভিযুক্তরা এলাকায় অবস্থান করলেও পুলিশ তাদের গ্রেফতার করছে না। তবে মামলা তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রফিকুল ইসলাম বলেন, চেয়ারম্যান আলমগীর ও প্যানেল চেয়ারম্যান আবুল কাশেম পলাতক থাকায় গ্রেফতার করা যাচ্ছে না।

৩ জুলাই ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর ও ইমাম উদ্দিনের মধ্যে মারামারির ঘটনা মধ্যস্থতা করতে গিয়ে তাজউল্লাহ আহত হন। তাকে সিলেটের নর্থ-ইস্ট মেডিকেলে
ভর্তি করা হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় ৪ জুলাই বিশ্বনাথ থানায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। এতে চেয়ারম্যান আলমগীর ও প্যানেল চেয়ারম্যান আবুল কাশেমকে আসামী করা হয়।