উপজেলার তৃণমূল রাজনীতি শক্তিশালী করতে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে লক্ষ্য নিয়ে এগুচ্ছে বিয়ানীবাজার উপজেলা বিএনপি। সরকার বিরোধী আন্দোলন ও মাঠের রাজনীতির সক্রিয়তা ফিরিয়ে আনতে এরই মধ্যে দলের সাবেক দায়িত্বশীলরা কাজ শুরু করেছেন।

গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে উপজেলার ১০ ইউনিয়নের মধ্যে ধানের শীষ নিয়ে আলীনগর ও কুড়ারবাজার ইউনিয়নের দুই প্রার্থী নির্বাচিত হন। আর স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েও নির্বাচিত হন তিলপাড়া ও মোল্লাপুর ইউনিয়নের দুইজন। অন্য সবগুলো ইউনিয়নের ধানের শীষের প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিলেন না। এসব বিষয় বিবেচনা করে এবং সরকারি দলের নির্বাচন কৌশল মাথায় রেখে সবগুলো ইউনিয়নের দলীয় প্রার্থী দেয়া হবে। তবে এ ক্ষেত্রেও দলের স্বার্থ দেখা হবে।

বিয়ানীবাজার উপজেলার আলীনগর, কুড়ারবাজার ইউনিয়নে বিএনপি’র বর্তমান চেয়ারম্যানদের আবারও মনোনয়ন দেয়া হবে এরকম প্রায় নিশ্চিত। তিলপাড়া ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান দলের মনোনয়ন চাইলে দেয়া হবে। না চাইলে দলীয়ভাবে এ ইউনিয়ন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। সিদ্ধান্ত যাই হোক না কেন দলকে শক্তি করার লক্ষ্য থাকবে বলে জানিয়েছেন সাবেক একাধিক দায়িত্বশীল।

ইউনিয়ন নির্বাচনে চারখাই, দুবাগ, শেওলা, মাথিউরা ও মোল্লাপুর ইউনিয়নে বিএনপিৎর প্রার্থী দেয়া হবে এটা নিশ্চিত করেছেন দলের দায়িত্বশীলরা। তবে মুড়িয়া ও লাউতা ইউনিয়ন নিয়ে দলের সিদ্ধান্ত এখনো স্পষ্ট নয়। এ দুই ইউনিয়নের বিএনপি’র জোট শরিক জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী থাকায় কৌশলগত কারণে বিএনপি’র প্রার্থী না দেয়া হতে পারে।

এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপি’র সাবেক এক দায়িত্বশীল নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বিএনপি দলের স্বার্থ রক্ষা করেই আগামী দিনের সিদ্ধান্ত নেবে। দলকে শক্তিশালী করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করবে বিএনপি। ভিন্ন কৌশল নিয়েই তৃণমূল বিএনপিকে শক্তিশালী করতে হবে। এতে যেসব ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থীর সম্ভাবনা কম থাকবে সেখানে কৌশলগত পরিবর্তন আনা হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক নজরুল ইসলাম খানের মোবাইল নম্বর বন্ধ থাকায় তাকে পাওয়া যায়নি। তবে উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি নজমুল হোসেন পুতুল বলেন, বিএনপি রাজনৈতিক দল। এক্ষেত্রে কেন্দ্র ও জেলার দায়িত্বশীলদের নির্দেশনা মেনে দলের প্রার্থী নির্ধারণ করা হবে। তিনি বলেন, সব ইউনিয়নে বিএনপির একটা অবস্থান রয়েছে। আমাদের লক্ষ্য সে অবস্থান আরো সুসংহত করা।