ভারতের আসাম জুড়ে এক ধরনের চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। আজ শনিবার আসামের রাজ্য সরকার চার বছর ধরে করা তালিকা প্রকাশ করেছে। এ তালিকা প্রকাশের পূর্বে পুরো রাজ্য জুড়ে পুলিশের পাশাপাশি ২০ হাজার আধা সামরিক বাহিনী মোতায়েন করেছে রাজ্য সরকার।

আসামের এনআরসি তালিকা প্রকাশের পর যাদের নাম তালিকায় থাকবে না তারা হয় আপিল করবে নয়তো দেশ থেকে পালানোর চেষ্টা করবে। দেশ ও রাজ্যহীন এসব মানুষের অধিকাংশের পূর্ব পুরুষ আবার সিলেট অঞ্চলের। শংকায় থাকা কিংবা তালিকায় নাম না থাকা বেশির ভাগ মানুষই হিন্দু ধর্মের।

সীমান্ত এলাকা সুরক্ষা রাখতে এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিয়ানীবাজার-বড়লেখায় আসাম সীমান্তে বিজিবি টহল জোরদার করেছে। এনআরসি তালিকা প্রকাশের দিনক্ষণ আগে থেকে জানা থাকায় সীমান্ত এলাকায় পূর্ব প্রস্তুতি নিয়ে রেখে বিজিবির দায়িত্বশীলরা। আসামের সাথে স্থল ছাড়াও রয়েছে নদী ও পাহাড়ীয় অঞ্চল। বিয়ানীবাজার উপজেলার দুবাগে বড়গ্রাম, শেওলা স্থল বন্দর, গজুকাটা হয়ে মুড়িয়া ইউনিয়নের নওয়াগ্রাম পর্যন্ত ভারত সীমান্ত রয়েছে। একই সাথে বড়লেখা, পাথারিয়া, শাহবাজপুর, বোবারতল লাঠিটিলা এলাকা পর্যন্ত ভারত সীমান্ত বিস্তীর্ত।

৫২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল ফয়জুর রহমান এসপিপি, পিএসসি বলেন, আগে থেকেই দিনক্ষণ জানা থাকায় আমরা সেরকম প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। সীমান্তে অতিরিক্ত টহল দেয়ার পাশাপাশি বিজিবিকে আরো সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। বিশেষ করে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে টহল জোরদার করা হয়েছে। বিয়ানীবাজার উপজেলার সীমান্ত অংশ ছাড়াও বড়লেখা ও জুড়ি এলাকার সীমান্তেও একই রকম টহলের ব্যবস্থা করা হয়েছে।