বিভিন্ন ঘটনা দুর্ঘটনার মধ্য দিয়ে ক্যালেন্ডারের পাতা থেকে দেখতে দেখতে চলে যাচ্ছে আরও একটি বছর। বিগত বছরে বিয়ানীবাজারে ঘটে গেছে নানা অপ্রীতিকর ঘটনা। ২০২০ সালে ঘটেছে ৪টি লোমহর্ষক আত্মহত্যার ঘটনা। এসব আত্মহনের ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়েছে।

গত ২ জানুয়ারি বিয়ানীবাজার উপজেলার মোল্লাপুর ইউনিয়নের লামাপাতন গ্রামের নিজ বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন হামিদা বেগম (৩৮) নামে পাঁচ সন্তানের জননী। আত্মহননকারি হামিদা বেগম ওই বাড়ির আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী। পুলিশ জানায়, হামিদা বেগম বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত। তাছাড়া পারিবারিক কলহ ও আর্থিক অবস্থা খারাপ হওয়ার জন্যে তিনি আত্মহত্যা করেন।

গত ১৪ এপ্রিল সন্ধ্যায় বিয়ানীবাজার উপজেলার দুবাগ ইউনিয়নের গজুকাটা গ্রামে মুন্না আহমদ (২১) নামে এক তরুণ আত্মহত্যা করে মারা যায়। আত্মহনকারী ওই তরুণ গজুকাটা গ্রামের মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী মানিক মিয়ার একমাত্র ছেলে। তবে তার আত্মহত্যা করার কারণ সম্পর্কে জানা যায়নি।

গত ২০ জুন সকালে বিয়ানীবাজার উপজেলার মাথিউরা পশ্চিমপার এলাকায় রাইব উদ্দীন (৬০) নামে এক বৃদ্ধ আত্মহত্যা করেন। নিহত বৃদ্ধ পশ্চিমপার গ্রামের মৃত কুটু মিয়ার পুত্র। তিনি দুই পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের পিতা। তবে আত্মহত্যার কারণ জানা যায়নি।

গত ২৭ জুন ভোররাতে বিয়ানীবাজার উপজেলার তিলপাড়া ইউনিয়নের মাটিজুরা গ্রামে নানাবাড়িতে এসে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে সাদিক হোসেন (১৬) নামের এক কিশোর। সে জকিগঞ্জ উপজেলার উত্তর গঙ্গাজল গ্রামের মাওলানা ফখরুল ইসলামের ছেলে এবং একই উপজেলার গঙ্গাজল হাসানিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার ১০ম শ্রেণির ছাত্র। তবে সে কি কারণে আত্মহত্যা করেছে সেটা জানা যায়নি।

এছাড়া গত ৫ নভেম্বর বিকালে উপজেলার মুড়িয়া ইউনিয়নের ঠেকইকোনা গ্রামের রাস্তার পাশের একটি গাছে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে সুমন পাল (৩০) নামে এক যুবক। সে পাথারীপাড়া (পিরেরচক) গ্রামের সুবোধ পালের একমাত্র ছেলে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বিয়ানীবাজার থানা পুলিশকে অবগত করেন এবং আত্মহত্যার চেষ্টাকারী যুবক সুমন পালকে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। ওই যুবকের পিতা সুবোধ পাল বলেন, সুমন আমার কাছ থেকে টাকা নেওয়ার জন্য ঝামেলা করে আসছে। ঘরের সবাইকে মারধর করে। আসবাবপত্র ভেঙে ফেলে। অন্যদিকে, পরিবারের কাছে ২ লাখ টাকা চেয়েও না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে সুইসাইড করার সিদ্ধান্ত নেন বলে জানায় আত্মহত্যার চেষ্টাকারী যুবক সুমন পাল।

এবিটিভির সর্বশেষ প্রতিবেদন-

বিয়ানীবাজার চাহিদা অর্ধেক বই এখনও আসেনি