বিয়ানীবাজারে একদিনে সিলেটের দুই ল্যাবে থেকে নতুন আরও ৭জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। সোমবার রাতে শাহাজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপিত ল্যাবের নমুনা পরীক্ষায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে ৫জন এবং সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ ল্যাবের নমুনা পরীক্ষায় ২জন পজেটিভ শনাক্ত হয়। এ নিয়ে প্রবাসী অধ্যুষিত এ উপজেলায় মোট করোনা আক্রান্ত রোগী সংখ্যা দাড়িয়েছে ৯০ জনে। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৩১জন এবং মারা গেছেন ৫জন।

নতুন আক্রান্তদের একই পরিবারের ৪জন সদস্য রয়েছেন। তারা হচ্ছেন- বিয়ানীবাজার পৌরসভার খাসা গ্রামের ফাতিমা সিদ্দিকা (২৫), রুনি বেগম (৩৫), রহিমা বেগম (৫২), হামিদুর রহমান (২৯)। অন্যরা হচ্ছেন পূর্ব ঘুঙ্গাদিয়া গ্রামের জামাল উদ্দিন (৪৮), দুবাগ ইউনিয়নের সাদিমাপুর বাঙ্গালহুদার আয়শা খানম চৌধুরী (৬৫) ও চারখাই ইউনিয়নের নোয়াখানী গ্রামের সুরাইয়া ইয়াসমিন (৩০)।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আবু ইসহাক আজাদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সোমবার রাতে শাবি ল্যাব থেকে ৫জন এবং ওসমানী মেডিকেল কলেজ ল্যাব থেকে ২জন পজেটিভ শনাক্ত হয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা পজেটিভ শনাক্ত হওয়া একই পরিবারের ৪জন ফাতিমা, রুনি, রহিমা, হামিদুর ও ঘুঙ্গাদিয়া গ্রামের জামাল উদ্দিনের নমুনা রোববার রাতে শাবি ল্যাবে এবং চারখাইয়ের সুরাইয়া ইয়াসমিনের নমুনা গত ২৪ জুন ওসমানী ল্যাবে প্রেরণ করি। তবে দুবাগ ইউনিয়নের সাদিমাপুর বাঙ্গালহুদা গ্রামের আয়শা খানম একজন বিদেশযাত্রী হওয়ায় তিনি গত ২৫ জুন শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে নমুনা দিয়েছিলেন। বর্তমানে তিনি নিজ বাড়িতে রয়েছেন।

ডা. আবু ইসহাক আজাদ বলেন, পজেটিভ শনাক্ত হওয়া সকলেই নিজেদের বাড়িতে হোম আইসোলেশনে রয়েছেন। শারীরিকভাবেও অনেকটা সুস্থ তারা। এদের মধ্যে বেশিরভাগই করোনা রোগীর প্রত্যেক্ষ সংস্পর্শে ছিলেন। তিনি বলেন, মঙ্গলবার তাদের সকলের বাড়ি লকডাউন করার পাশাপাশি সংস্পর্শে আসাদের নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবে পাঠানো হবে।

এবিটিভির সর্বশেষ প্রতিবেদন-

বিয়ানীবাজারে সোনাই নদীর ভাঙনে সড়ক বিলীন, ঝুঁকিতে বসতবাড়ি মসজিদ- মাদ্রাসা