ইতালির রোম দূতাবাসের অ্যাপোয়েন্টমেন্ট ছাড়া পাসপোর্ট আবেদনের নিয়ম থেকে সরে আসায় আন্দোলনের নামে কমিউনিটির নেতারা। দালাল চক্রের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠে রোম প্রবাসী বাংলাদেশিরা। ফলে, রোম দূতাবাস পাসপোর্ট জমা দেওয়ার বিধান সহজ করতে বাধ্য হয়। ২৫ জুন প্রকাশ করে নতুন নিয়ম কানুন। কমিউনিটির নেতারা বলছেন, এটা তাদের আন্দোলনের ফসল এবং প্রাথমিক বিজয়। এতে করে দালালচক্রের অপকর্ম অনেকটাই বন্ধ হতে পারে।

বেশ কয়েক বছর ধরে ইতালির রোম দূতাবাসে একটি সিন্ডিকেট দালালের মাধ্যমে পাসপোর্ট এবং সার্টিফিকেট প্রধান ভুমিকা রেখে আসছিল। সাধারণ অভিবাসীরা বঞ্চিত হচ্ছিল বৈধ সুযোগ থেকে। দালাল চক্রটি দূতাবাসকে জিম্মি করে একক আধিপত্য বিস্তার করেছিল। অর্থের বিনিময়ে তারা যে কোন অবৈধ কাজ কেউ বৈধ করে নিত। এসবে দিনদিন ক্ষুব্দ হয়ে ওঠে প্রবাসীরা। এগিয়ে আসে কমিউনিটির নেতারা। তীব্র আন্দোলনের মুখে দূতাবাস কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয় নিয়ম কারণ সহজ করতে। মূলধারা টেলিভিশন এবং সংবাদমাধ্যমে দূতাবাসের দুর্নীতি দালালি এবং বিক্ষোভ কর্মসূচি সংবাদ প্রচার হওয়ার পর বাধ্য হয় দূতাবাস নিয়ম কারণ সহজ করতে। কর্তৃপক্ষ দালালদের দৌরাত্ম্য কমাতেও বাধ্য হচ্ছে এখন। এদিকে বর্তমানে দূতাবাসর সকল কার্মকান্ডে ব্যাপক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।

দূতাবাসের নিয়মে যে সকল পরিবর্তন আনা হয়েছে, পাসপোর্টের আবেদনের জন্য যেসব কাগজপত্র জমা দিতে হবেঃ

১) পুরাতন পাসপোর্টের ফটোকপি।
২) অনলাইনে ভেরিফাইযোগ্য জন্মনিবন্ধন কপি।
৩) এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
৪) অনলাইনে পূরণকৃত পাসপোর্টের আবেদন ফরম।
৫) সৌজর্ন থাকলে তার কপি।
৬) পুরাতন পাসপোর্টের কপি না থাকলেঃ অনলাইনে ভেরিফাইযোগ্য ভোটার আইডি কার্ডের কপি / অনলাইনে ভেরিফাইযোগ্য বাবা অথবা মায়ের ভোটার আইডি কার্ডের কপি অথবা সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কতৃক প্রদত্ত প্রত্যায়নপত্র।
৭) ৫ বছরের বেশি বয়স পরিবর্তন ক্ষেত্রে পাসপোর্ট প্রাপ্তির নিশ্চয়তা নির্ভর করবে পাসপোর্ট অধিদপ্তর সিদ্ধান্তের উপর। এক্ষেত্রে দূতাবাস দায়ী থাকবে না।

বিঃ দ্রঃ মিথ্যা তথ্য প্রদান করে পাসপোর্ট/সার্টিফিকেট গ্রহণের জন্য আবেদন করলে তা বাংলাদেশ ও ইতালী সরকারের আইন অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। সেক্ষেত্রে মিথ্যা তথ্য প্রদানকারীদের জেল/জরিমানা ভোগ করতে হতে পারে।

এবিটিভির সর্বশেষ প্রতিবেদন-

বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজবার্ষিকী অন্বেষা'র মোড়ক উন্মোচন