অপহরণের তিনদিন পর বিয়ানীবাজারের স্কুল শিক্ষক ফরিদ উদ্দিনকে রাজধানীর মহাখালী থেকে অবচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। পথচারীদের সহায়তায় শনিবার (২৫ নভেম্বর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে মহাখালী এলাকা তাকে উদ্ধার করে বাড়ি নিয়ে এসেছেন স্বজনরা। বর্তমানে তিনি সিলেটের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ফরিদ উদ্দিনের স্ত্রী আফরোজা জেসমিন এবং তার ভাই কয়েছ উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আফরোজা জেসমিন ও কয়েছ উদ্দিন জানান, ফরিদ উদ্দিনকে ঢাকার মহাখালী থেকে স্থানীয় পথচারীদের সহায়তায় উদ্ধার করে বাড়িতে আনা হয়েছে। ফরিদ উদ্দিন অবচেতন থাকায় বিয়ানীবাজার পৌরশহরের একজন চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। ওই চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ফরিদ উদ্দিন হার্ট অ্যাটাক করেছেন বলে জানান। পরে সেই চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে তার চিকিৎসার জন্য সিলেটে নিয়ে আসি।

অপহৃত স্কুল শিক্ষক ফরিদ উদ্দিন (৪০) বিয়ানীবাজার উপজেলার তিলপাড়া ইউনিয়নের তিলপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ছবর আলীর ছেলে এবং বেজগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কয়েছ উদ্দিনের ছোটভাই। তিনি উপজেলার মাথিউরা ইউনিয়নের নালবহর উচ্চ বিদ্যালয়ে করণিক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

এর আগে গত মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সায়দাবাদ বাসস্ট্যান্ড থেকে সিলেটের বিয়ানীবাজার আসার পথে অজ্ঞাত অপহরণকারী তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় অপহৃত স্কুল শিক্ষকের স্ত্রী আফরোজা জেসমিন বুধবার (২২ নভেম্বর) নিখোঁজ স্বামীর সন্ধান চেয়ে বিয়ানীবাজার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি দায়ের করেন। তবে থানায় সাধারণ করলেও ফরিদ উদ্দিনের পরিবারের দাবি, তিনি অজ্ঞাত অপহরণকারী চক্র কর্তৃক অপহৃত হয়েছিলেন।