অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন সিলেটের কৃতি সন্তান মো. তওফিক মাহবুব চৌধুরী। তাঁর এমন পদোন্নতিতে নিজ জন্মস্থান জকিগঞ্জে বইছে আনন্দের বন্যা। রোববার তাঁর পদোন্নতির প্রজ্ঞাপন জারির খবর শোনার পর খুশির জোয়ার বইছে পুরো জকিগঞ্জ জুড়ে।

তাঁর পদোন্নতিকে ঘিরে ফেসবুকে যেন অভিনন্দনের জোয়ার উঠেছে। ফেসবুকের টাইমলাইনে একের পর এক স্টেটাস চোখে পড়ছে রীতিমত। বিশেষ করে জকিগঞ্জের তরুণ প্রজন্মের ফেসবুক ব্যবহারকারীদের এসব স্টেটাস দিতে দেখা গেছে। অনেকেই ফেসবুকে লিখেছেন-নিঃস্বার্থভাবে তিনি সাধারণ মানুষকে সহায়তা করেন, অসহায় ও দুর্বল মানুষ তাঁর দ্বারা বারবার উপকৃত হয়েছেনসহ নানা রকমের লেখা সম্বলিত স্টেটাস।

জানা গেছে, গেল রবিবার পুলিশের ১৪ কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে । তাঁদের মধ্যে চার কর্মকর্তাকে নিয়মিত পদোন্নতি এবং ১০ কর্মকর্তাকে সুপারনিউমারারি পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।

রবিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জননিরাপত্তা বিভাগের উপসচিব মাহবুবুর রহমান শেখ স্বাক্ষরিত পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, নিয়মিত পদোন্নতির অংশে চারজন কর্মকর্তা উপপুলিশ মহাপরিদর্শক থেকে অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক হয়েছেন।

এসব কর্মকর্তা হলেন, পুলিশ সদর দপ্তরের খন্দকার লুত্ফুর কবির ও মো. তওফিক মাহবুব চৌধুরী, এন্টি টেররিজম ইউনিটের আব্দুল আলীম মাহমুদ এবং হাইওয়ে পুলিশের মাসুদুর রহমান ভূঞা।

নিয়মিত পদোন্নতির অংশে চারজনের মধ্যে তওফিক মাহবুবের বাড়ি সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার শাহবাগে।

এছাড়া সুপার নিউমারারিতে পদোন্নতিপ্রাপ্তরা হলেন, পুলিশ টেলিকমের এ কে এম শহিদুর রহমান ও বশির আহম্মদ, পুলিশ ট্রেনিং ড্রাইভিং স্কুলের ময়নুল ইসলাম, স্পেশাল সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রটেকশন ব্যাটালিয়নের গোলাম কিবরিয়া, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায়, সিআইডির কুসুম দেওয়ান, পুলিশ সদর দপ্তরের আনোয়ার হোসেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের এ কে এম হাফিজ আক্তার ও ড. খ. মহিদ উদ্দিন এবং রংপুর রেঞ্জের আব্দুল বাতেন।