১৯শে মার্চ, ২০১৯ ইং | ৬ই চৈত্র, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

বিয়ানীবাজার-ফেঞ্চুগঞ্জ ফিডার রোড- ৮ মাসে ভরাট হয়নি গর্ত দুই বছরেও সংস্কার হয়নি সড়ক

https://i1.wp.com/beanibazarnews24.com/wp-content/uploads/2019/03/Beanibazar-3-songjug.jpg?resize=1200%2C630

দুই বছর ধরে কুশিয়ারা নদীর তীরবর্তী তিন উপজেলার সংযোগ সড়কের (ফিডার রোড) ভাঙা অংশ সংস্কার হচ্ছে না। আর আট মাস আগে ধসে গেছে এই সড়কেরই স্লুইসগেট এলাকার বেশ খানিকটা অংশ। ফলে ভোগান্তি বেড়েছে এলাকাবাসীর। সড়ক সংস্কার করে দ্রুত ভোগান্তি লাঘবের দাবি তাদের।

সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার, গোলাপগঞ্জ ও ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার সংযোগ সড়কের ৩৫ কিলোমিটারের মধ্যে গর্ত ও খানাখন্দের কারণে ১০ কিলোমিটার সড়ক চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া সড়কের তিন কিলোমিটার কাঁচা অংশ পাকা না করায় স্থানীয় অধিবাসীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ক্ষোভ। সড়কের দুরবস্থার মধ্যে ‘বিষফোঁড়া’ হিসেবে দেখা দিয়েছে বাঘিরঘাট এলাকার প্রথম স্লুইসগেট এলাকায় ধস।

স্থানীয়রা জানায়, এ সড়কের বাঘিরঘাট এলাকায় কালিজুড়ি খালের ওপর নির্মিত স্লুইসগেটে গত জুন মাসে ধস নেমে বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয়। নদীর স্রোতে ভেসে যায় স্লুইসগেটের দুই পাশ। বিষয়টি গোলাপগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশল অফিসকে অবহিত করার পর দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত স্থান পরিদর্শন করেন। তবে গত আট মাসে ভাঙনকবলিত অংশ ভরাট করা হয়নি। এমনকি সড়কজুড়ে ছোট-বড় গর্ত সৃষ্টি হলেও সংস্কার হয়নি। ফলে এ সড়ক ব্যবহারকারীরা পার্শ্ববর্তী এলাকার গ্রামীণ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছেন। ঘুরতে হচ্ছে অতিরিক্ত দুই কিলোমিটারের বেশি পথ।

সরেজমিন দেখা যায়, স্থানীয়রা চলাচল করার সুবিধার্থে ভাঙনকবলিত অংশে ছোট আকারের দুটি সাঁকো তৈরি করেছেন। কালিজুড়ি গ্রামে ইটের তৈরি রাস্তা ও বাঘিরঘাট এলাকায় সিসি সড়ক দিয়ে চলাচল করছে যানবাহন। গ্রামের দুই কিলোমিটার সরু রাস্তা দিয়ে চলাচলে বেগ পেতে হচ্ছে জানিয়ে চালক ও যাত্রীরা সড়কের ভাঙনকবলিত অংশ ভরাট এবং গর্ত-খানাখন্দে ভরা সড়কের দ্রুত সংস্কার দাবি করেন।

বাঘিরভাট এলাকার লিটন আহমদ বলেন, কয়েক ট্রাক মাটি দিয়ে গর্ত ভরাট করা যায়। অথচ দায়িত্বশীলরা তা না করে মানুষকে দুর্ভোগে রেখেছেন। দেউলগ্রাম এলাকার রফিক উদ্দিন বলেন, সড়কে ভাঙন থাকায় যাত্রীবাহী গাড়ি চলাচল বন্ধ রয়েছে। আমরা এ দুর্ভোগ থেকে মুক্তি চাই।

উপজেলা প্রকৌশল অফিস সূত্র জানা যায়, ফিডার রোডের ছয়ত্রিশ গ্রাম থেকে বাদেপাশার উত্তর অংশ পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার এলাকা নতুন করে সংস্কার এবং বাদেপাশা ইউনিয়নের মধ্যে আরও তিন কিলোমিটার কাঁচা সড়ক পাকা করতে প্রকল্প প্রণয়ন করা হয়েছে। এ সড়কের ১০ কিলোমিটার সংস্কার কাজে ৫-৬ কোটি টাকা এবং নতুন তিন কিলোমিটার পাকাকরণে ৩ কোটি টাকা ব্যয় হবে। এ ছাড়া সড়কের ধস নামা অংশে একটি কালভার্ট নির্মাণ করতে ব্যয় হবে ২০ লাখ টাকা।

গোলাপগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী সাইদুল হাসান বলেন, দুটি স্লুইসগেট বর্ষা মৌসুমে নদীর পানি চাপ নিতে পারছে না। ফলে সড়ক ভেঙে যাচ্ছে। কালভার্ট দেওয়া হলে পানির চাপ কমে আসবে। ভাঙা অংশে একটি কালভার্ট তৈরির জন্য নকশা প্রণয়ন করা হচ্ছে। এ ছাড়া সিলেট ডিভিশন উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সড়কের ১০ কিলোমিটার সংস্কার ও তিন কিলোমিটার পাকাকরণের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কাজ শুরু করা হবে।

A+ A-
Print Friendly, PDF & Email

সর্বশেষ সংবাদ

শামীমের ফেইসবুক স্ট্যাটাস নির্বাচনের নামে প্রহসনের রাজনীতি বন্ধ করুন

সিলেটে বেড়াতে এসে ট্রাক চাপায় সেনা কর্মকর্তার স্ত্রী-ছেলে নিহত

আতাউর রহমান খান'র বাড়িতে আবুল কাশেম পল্লব!

মুড়িয়ায় আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রব এর ইন্তেকাল।। বিভিন্ন মহলের শোক

বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাচন- জামানত বাজেয়াপ্ত হলো যাদের

ফলাফল ঘোষণা শেষে দক্ষিণ বিয়ানীবাজারে হাজারো মানুষের বিজয় উল্লাস

ঘোষণাঃ