১৯শে মার্চ, ২০১৯ ইং | ৬ই চৈত্র, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

বিয়ানীবাজার উপজেলা পরিষদ নির্বাচন- তিন মুক্তিযোদ্ধা চেয়ারম্যানের উত্তরসুরি হচ্ছেন কে- নতুন না পুরাতন

https://i1.wp.com/beanibazarnews24.com/wp-content/uploads/2019/02/upojela-chairman.jpg?resize=1200%2C630

আর মাত্র ১৭ দিন পর বিয়ানীবাজার উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। আগামী ১৮ মার্চ অনুষ্ঠেয় নির্বাচনের ডামাঢোল এরই মধ্যে শুরু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে প্রতীক নিয়ে প্রচারণায় নেমেছেন প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীরা। কৌতুহুলী উপজেলাবাসীর প্রশ্ন উপজেলা পরিষদের পূর্বসুরী তিন মুক্তিযোদ্ধা চেয়ারম্যানের স্থলে কে বসছেন। পুরাতন না নতুনের দখলে যাচ্ছে উপজেলা চেয়ারম্যানের ‘চেয়ার’।

উপজেলাজুড়ে শুরু হয়েছে নির্বাচনী কাউন্ট-ডাউন। এই মুহূর্তে আলোচিত হচ্ছে কে হচ্ছেন প্রবাসী বহুল এ উপজেলার ভবিষ্যত কান্ডারী। পূর্বসুরি মুক্তিযোদ্ধা মুজম্মিল আলী, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালিক মায়ন এবং মুক্তিযোদ্ধা আতাউর রহমানের পর কে হচ্ছেন তাদের উত্তরসূরি। বর্তমান চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা আতাউর রহমান খান স্বপদে থাকছেন নাকি অন্য কারো দখলে যাচ্ছে চেয়ারম্যানের ‘চেয়ার’- প্রশ্নও রয়েছে কৌতুহলী মানুষের মাঝে।

আসন্ন নির্বাচনে মুজম্মিল-মায়ন-আতাউর’র স্থান দখল করতে বর্তমান চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা আতাউর রহমানসহ আরও ৫জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁরা হলেন- উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল হাসনাত, সহসভাপতি আলকাছ আলী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও শহীদ সন্তান মোহাম্মদ জাকির হোসেন, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য শামীম আহমদ ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আবুল কাশেম পল্লব।

প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী এ সকল প্রার্থীর মধ্যে ভোটারদের জরিপে এখনো পর্যন্ত কে এগিয়ে আছেন তা বলা মুশকিল। অঞ্চল এবং স্থানভেদে একেক প্রার্থী একেক জায়গায় শক্ত ঘাটি তৈরি করেছেন। রাজনৈতিক অবস্থান থেকেও প্রার্থীদের নাম আলোচিত হচ্ছে।

বিয়ানীবাজার উপজেলা পরিষদের প্রথম ও দ্বিতীয় নির্বাচনে মুক্তিযোদ্ধা মুজম্মিল আলী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। বিগত সময়ে দু’বারের উপজেলা নির্বাচনে বিজয়ী মুজম্মিল আলীর সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুর রহিম বছন হাজী ও আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুর রাজ্জাক। ’৯১ সালে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর উপজেলা পরিষদ বিলুপ্ত ঘোষণা করে। পরবর্তীতে ২০০৬ সালে বহুল আলোচিত ফখর উদ্দিনের সরকার পুণরায় উপজেলা পরিষদ প্রতিষ্ঠিত করলে ২০০৯ সালের ২১ জানুয়ারির নির্বাচনে মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালিক মায়নের কাছে বিশাল ব্যবধানে পরাজিত হন মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক চেয়ারম্যান মুজম্মিল আলী। ২০১৪ সালের ৩১ মার্চ চতুর্থ নির্বাচনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা আতাউর রহমান খান অল্প ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন। তিনি প্রতিদ্বন্দ্বি আব্দুল মান্নান, আবুল কাশেম পল্লব, ফয়জুল ইসলামকে পরাজিত করে বর্তমানেও চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন।

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দেশের দ্বিতীয় বৃহৎ দল বিএনপি কোন প্রার্থী দেয়নি। তাদের জোটের শরিক জামায়াতে ইসলামও দেয়নি প্রার্থী। ফলে
বর্তমান চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা আতাউর রহমান খানকে নির্বাচনে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছেন তার দলের স্বতন্ত্র তিন প্রার্থী সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আবুল কাশেম পল্লব, উপজেলা সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসেন ও সদস্য শামীম আহমদ। এছাড়া জাতীয় পার্টির উপজেলা সভাপতি আবুল হাসনাত ও সহসভাপতি কুড়ারবাজার ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আলকাছ আলী।

নির্বাচন নিয়ে সাধারণের কৌতুহল নতুন না পুরাতনে আস্থা রাখবে উপজেলাবাসী। তারজন্য অপেক্ষা করতে হবে ১৮ মার্চ নির্বাচন পর্যন্ত।

A+ A-
Print Friendly, PDF & Email

সর্বশেষ সংবাদ

শামীমের ফেইসবুক স্ট্যাটাস নির্বাচনের নামে প্রহসনের রাজনীতি বন্ধ করুন

সিলেটে বেড়াতে এসে ট্রাক চাপায় সেনা কর্মকর্তার স্ত্রী-ছেলে নিহত

আতাউর রহমান খান'র বাড়িতে আবুল কাশেম পল্লব!

মুড়িয়ায় আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রব এর ইন্তেকাল।। বিভিন্ন মহলের শোক

বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাচন- জামানত বাজেয়াপ্ত হলো যাদের

ফলাফল ঘোষণা শেষে দক্ষিণ বিয়ানীবাজারে হাজারো মানুষের বিজয় উল্লাস

ঘোষণাঃ