২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ইং | ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

গোলাপগঞ্জে উদ্ধারকৃত অজ্ঞাত লাশের পরিচয় মিলেছে, আটক ২

https://i2.wp.com/beanibazarnews24.com/wp-content/uploads/2018/10/PicsArt_10-29-12.50.58.jpg?resize=1200%2C630

গোলাপগঞ্জের বাঘা থেকে উদ্ধারকৃত অজ্ঞাত লাশের পরিচয় পাওয়া গেছে। নিহত ব্যক্তি কানাইঘাট উপজেলার লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপির গোরকপুর গ্রামের ফয়জুর রহমানের পুত্র মাওলানা মুহিবুর রহমান (৫০) বলে জানা গেছে। তিনি ৩ অক্টোবর থেকে নিখোঁজ ছিলেন।

গোলাপগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ মুহিবুর রহমানের লাশের পরিচয় সনাক্ত করতে না পেরে ময়না তদন্তের পর ৮অক্টোবর অজ্ঞাতনামা বেওয়ারিশ লাশ হিসাবে দাফন করে।

মুহিবুর রহমানের পরিচয় সনাক্তের পর তাকে হত্যার ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে রবিবার বিকেলে কানাইঘাট দলকিরাই গ্রামের সিরাজুল হকের পুত্র সিলেটের শাহপরান এলাকায় বসবাসরত রিয়াজ উদ্দিনকে আটক করে গোলাপগঞ্জ থানা পুলিশ।

অপর দিকে কানাইঘাট থানা পুলিশ রবিবার সন্ধ্যা ৭টায় নিহত মুহিবুর রহমানের শ্বাশুড়ী কানাইঘাট বানীগ্রাম ইউপির নিজ বাউরভাগ গ্রামের রইছ উদ্দিনের স্ত্রী পিয়ারা বেগম সালেহা (৬৮) কে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত সন্দেহে আটক করে। পিয়ারা বেগম ও তার মেয়ের জামাই রিয়াজ উদ্দিন কে মুখামুখি করে কানাইঘাট থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

জানা যায়, গোলাপগঞ্জের বাঘা ইউনিয়নের রস্তমপুর ব্রীজের নিচ থেকে গত ৮ অক্টোবর গলায় গামছা পেচানো রক্তাক্ত অবস্থায় মুহিবুর রহমানের লাশ উদ্ধার করা হয়। গত ৪ অক্টোবর তার নিজ বাড়ী গোরকপুর গ্রাম থেকে সকাল ৯টার দিকে সিলেট শহরে তার বায়রা রিয়াজ উদ্দিনের বাসায় যাওয়ার জন্য ফুফা শফিকুল হক কে সাথে নিয়ে বের হন। দুপুরে মুহিবুর রহমান তার ফুফা শফিকুল হক নিয়ে বায়রার বাসায় শ্বাশুড়ী পিয়ারা বেগমের উপস্থিতিতে খাওয়া দাওয়া করেন। এর পর ঐ দিন ফুফা শফিকুল হক তার নিজ বাড়ীতে ফিরে আসলে ও মুহিবুর রহমান বায়রার বাসায় থেকে যান। এর পর থেকে তার কোন ধরনের সন্ধান না পেয়ে পরিবারের লোকজন মুহিবুর রহমানের শ্বাশুড়ী পিয়ারা বেগম, বায়রা রিয়াজ উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করলে তারা বলেন মুহিবুর রহমান ৪ অক্টোবর বিকেলের দিকে তাদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে গেছেন।

মুহিবুর রহমানের কোন সন্ধান না পেয়ে গত ২৪ অক্টোবর বুধবার কানাইঘাট থানায় একটি নিখোঁজ ডায়রী দায়ের করেন তার ভাই সাহাব উদ্দিন। থানা পুলিশের এসআই সুরঞ্জিত নিখোঁজ সাধারন ডায়রীর সূত্র ধরে জানতে পারেন গত ৮ অক্টোবর গোলাপগঞ্জের বাঘায় এক ব্যক্তির অজ্ঞাতনামা লাশ পাওয়া গেছে। গত শনিবার রাতে মুহিবুর রহমানের পরিবারের লোকজন কে থানায় ডেকে এনে সেই অজ্ঞাত নামা লাশটি এসআই সুরঞ্জিত লাশের ছবি তাদের দেখালে গোলাপগঞ্জ পুলিশের হাতে অজ্ঞাতনামা উদ্ধার হওয়ার লাশটি মুহিবুর রহমানের বলে তার পরিবারের লোকজন সনাক্ত করেন। এই সূত্র ধরে গোলাপগঞ্জ মডেল থানা পুলিশের এসআই নিহত মুহিবুর রহমানের মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শংকর দাস এবং কানাইঘাট থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে মুহিবুর রহমান কে হত্যার ঘটনায় সন্দেহে তার শ্বাশুড়ী পিয়ারা বেগম ও বায়রা রিয়াজ উদ্দিন কে রবিবার রাতে আটক করে।

হত্যা রহস্য উদঘাটনের জন্য আটকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে কানাইঘাট থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ নুনু মিয়া জানিয়েছেন।

A+ A-
Print Friendly, PDF & Email

সর্বশেষ সংবাদ

বৈরাগীবাজারে সোনালী অতীত প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত

বড়লেখায় পুলিশের হাতে আন্ত:জেলা চোরচক্রের ৮ সদস্য গ্রেফতার

ওসমানীনগরে লাখ টাকার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করলেন মাহি উদ্দিন সেলিম

বিয়ানীবাজারের দেউলগ্রাম মহাপ্রভুর আখড়ায় লীলা সংকীর্ত্তন রবিবার

আগামী ৬ মে থেকে শুরু হচ্ছে মাহে রামাদ্বান

শুদ্ধসুরে জাতীয় সঙ্গীত- জেলার সেরা বিয়ানীবাজারের খলিল চৌধুরী আদর্শ বিদ্যানিকেতন

ঘোষণাঃ